মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজ
মানসম্মত শিক্ষার জন্য এক যুগোপযোগী প্রতিষ্ঠান
২০৩০ সালের মধ্যে পূরণীয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) ১৭টির মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে 'মানসম্মত শিক্ষা' যা একটি সুন্দর স্বপ্ন। কিন্তু একদিকে পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব, অপরদিকে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন সংখ্যার স্বল্পতা, পাশাপাশি বাড়ছে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। এতে অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে জাতীয় জীবনের অনাগত ভবিষ্যত। অভিভাবক মহলে বাড়ছে উৎকণ্ঠা।
এ পরিস্থিতিতে গতানুগতিকতা পরিহার করে আধুনিক টিউটোরিয়াল সিস্টেম, নিয়মিত অগ্রগতি যাচাই পরীক্ষাসহ অভিজ্ঞ ও মেধাবী শিক্ষকবৃন্দের নিরবচ্ছিন্ন তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সাধন সম্ভব। এর মাধ্যমে সুসমন্বিত ও কল্যাণধর্মী জীবন যাপনের জন্য সচেতন কর্তব্যবোধে উদ্বুদ্ধ সৎ ও প্রগতিশীল দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধন করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রয়াসে কর্তব্যনিষ্ঠ ও কর্মকুশল জনশক্তি সরবরাহ এবং শিক্ষার্থীর আকাঙ্ক্ষা ও প্রবণতা অনুযায়ী উচ্চ শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে অতীত ঐতিহ্য, ইতিহাস, সংস্কৃতির ধারণা প্রদান ও বর্তমান সমস্যা সমাধানের দিক নির্দেশনা দিয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার রূপরেখা বাস্তবায়ন সম্ভব।
বাস্তবতা ও সময়ের দাবির প্রেক্ষিতে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজ অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় বিশ্বস্ত অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়ে চলতি সেশনেও ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে। সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী জাতি গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে একটি যুগোপযোগী • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা এবং এর সুনাম রক্ষাকল্পে কর্তৃপক্ষসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ সর্বদা দায়িত্ব সচেতন ও দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ। যে কোন শিক্ষার্থীর জন্য এটি একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
শুভেচ্ছান্তে-
অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্
বি. কম (অনার্স) এম. কম. (হিসাববিজ্ঞান) এম. কম. (অর্থবিজ্ঞান) বি. এড: এম.এড, পিএইচডি, - কোয়ান্টাম মাস্টার্স।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সফলতা নির্ভর করে সুপরিকল্পিত পাঠক্রম, উপযুক্ত পরিবেশ, সুনিবিড় তত্ত্বাবধান, আদর্শ মেধাবী শিক্ষক, শিক্ষাদান পদ্ধতি, যথাযথ মূল্যায়ন ও সুদক্ষ পরিচালনার উপর। শিক্ষার সকল পর্যয়ে মানসম্মত শিক্ষা প্ৰদান বৰ্তমান সময়ের অনিবার্য দাবি যা পরিপূরণে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজ বদ্ধপরিকর। দেশের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো ও পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিম্নোক্ত বিশেষত্ব ও সুবিধাদি নিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাক্রম মানসম্মত ও যুগোপযোগী করে ঢেলে সাজানো হয়েছে।
শিক্ষক-শিক্ষিকা
এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে মেধাবী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, পরিশ্রমী ও আন্তরিক এবং তারুণ্যদীপ্ত একদল শিক্ষক-শিক্ষিকা। উন্নত বিশ্বের আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির অনুকরণে নিয়মিত বিষয় ভিত্তিক Workshop. Refreshers Course ও Micro Teaching সহ আধুনিক পদ্ধতি, নবতর কলাকৌশল প্রয়োগ করে পাঠদান সহজতর, আকর্ষণীয় ও বিজ্ঞানসম্মত করার জন্য গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা ও কৌশল উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা হয়।
আধুনিক কারিকুলাম
শিক্ষাকে অর্থবহ করার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী ও লাগসই কারিকুলাম যা শিক্ষার্থীকে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার রসদ যোগায়। এই কথাটিকে বিবেচনায় এনে ইংরেজিকে অধিকতর গুরুত্ব প্রদানপূর্বক মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ প্রণয়ন করেছে ন্যাশনাল কারিকুলাম ও কম্পিউটারের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক মানসম্মত কারিকুলাম।
শিক্ষার মাধ্যম
এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মাধ্যম মূলত বাংলা, তবে পরিবেশ ইংরেজি আবহময় অর্থাৎ General Curriculum ছাড়াও অত্র প্রতিষ্ঠান English Environment সমৃদ্ধ। শিশুর মনের অনুভূতি, উপলব্ধি ও ধারণাশক্তিকে মাতৃভাষা বাংলা যত সহজে এবং অল্প সময়ে জাগাতে পারে, বিদেশি ভাষা ইংরেজি তা পারে না। আবার আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে কিংবা উচ্চ শিক্ষা লাভ করতে ইংরেজিতে পারদর্শিতা অনস্বীকার্য।
একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও পরীক্ষা পদ্ধতি
বছরের শুরুতে শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত ছুটি এবং মাসিক ও সাময়িক পরীক্ষাসমূহ আরম্ভের তারিখ সম্বলিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হয়। অগ্রগতি যাচাই পরীক্ষার গড় নম্বর সংশ্লিষ্ট সাময়িক পরীক্ষার নম্বরের সাথে যোগ করে বার্ষিকের ফলাফল তৈরি করা হয়। অগ্রগতি যাচাই পরীক্ষাসহ সকল পরীক্ষার রেজাল্ট অভিভাবকদের কাছে পাঠানো হয়।
নতুন কারিকুলাম ও প্রশ্ন পদ্ধতি
শিক্ষার্থীদেরকে সর্বক্ষেত্রে জীবন ভিত্তিক যোগ্য নাগরিক জন্য বর্তমান সরকার কারিকুলাম সংস্কার করছে। আর সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সেই গড়ে তোলার সফলতাে প্রতিে পাঠদান ও প্রশ্নপদ্ধতি প্রণয়ন বাস্তবায়ন করা হয়।
সৃজনশীল শিক্ষা ও প্রশ্নপদ্ধতি
কলেজ সেকশনে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল বিষয়ে সৃজনশীল শিক্ষা ও প্রশ্নপদ্ধতি চালু রয়েছে।
বোর্ড পরীক্ষাসমূহে সাফল্য অর্জন
এস এস সি এবং এইচ এস সি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বৃত্তি এবং এ প্লাসসহ শতভাগ সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে পঞ্চম, অষ্টম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে নির্ভরযোগ্য তদারকি ও স্পেশাল কেয়ারের মাধ্যমে অত্র প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর যথাযথ, সময়োচিত ও যুগোপযোগী পাঠদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে অগ্রসর, মধ্যমমান এবং অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক পৃথকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস
সম্পূর্ণ ক্লাসনির্ভর ও প্রাইভেট নির্ভরতামুক্ত করার লক্ষে প্রতিদিন ক্লাস শেষে RC এর মাধ্যমে পাঠের পুনরালোচনা ও মূল্যায়নসহ বাড়ির কাজ তৈরির দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম
ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের সকল মানুষের জীবন সহজ, সুন্দর ও আনন্দময় করে পড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি' বিষয়টি শিক্ষা ব্যবস্থার সকল ধারায় বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং কলেজ শাখায় একাদশ শ্রেণিতে প্রথমবারের মতো প্রণীত হয়েছে 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি' পাঠ্যপুস্তকটি। 'ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা। তাই সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের মাধ্যমে প্রজেক্টরের সাহায্যে ICT প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্তৃক ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হয়। এছাড়াও, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্যেও অত্র প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে বিধায় এবং প্রি-নাসারি ও নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে IPC এর প্রারম্ভিক ধারণা প্রদানসহ শুদ্ধ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় Word meaning শেখানোর জন্য, সর্বোপরি, শ্রেণির প্রতিটি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত বিকাশ সাধনের উদ্দেশ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ফ্যাসিলিটি প্রদান করা হয়।
Spoken English
ইংরেজি ভাষায় কথোপকথন ও ইংরেজি বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে শ্রেণির মান অনুযায়ী Spoken English আমাদের শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সাফল্যের সাথে টিকে থাকতে হলে আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতে Skill এবং Fluency থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি শ্রেণির নিয়মিত Text Book: English For Today এর সহযোগী হিসেবেও এ কোর্স অসামান্য ভূমিকা পালন করে।
হ্যান্ডরাইটিং কোর্স
পাবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য সুন্দর হস্তলিপির বিকল্প নেই। সকল শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের হস্তলিপি সুন্দর করার জন্য আমাদের রয়েছে বাধ্যতামূলক হ্যান্ডরাইটিং কোর্স।
ফাউন্ডেশন কোর্স
শ্রেণিতে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের পাঠের ঘাটতি পরিলক্ষিত হলে Reading Course, Math Course Communicative English কে সহজ করার লক্ষে Basic Grammar Course এর মাধ্যমে তাদেরকে বর্তমান শ্রেণির উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়।
আধুনিক ল্যাবরেটরি ব্যবস্থা
বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষালাভের একটি অত্যাবশ্যকীয় শর্ত - হাতে কলমে কাজ করা অর্থাৎ ব্যবহারিক ক্লাস সম্পন্ন করা যা ছাড়া বিজ্ঞান শিক্ষা অসম্পূর্ণ। এর জন্য প্রয়োজন সুসজ্জিত ল্যাব আর এই চাহিদা মেটাতে আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার।
পিটি প্যারেড ও অ্যাসেম্বলি
দক্ষ বি পি এড শিক্ষক দ্বারা আধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে নিয়মিত শরীর চর্চা, কুচকাওয়াজ ও অ্যাসেম্বলি করা হয়।
লাইব্রেরি সুবিধা
শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠসহায়ক বইসহ সাধারণ জ্ঞান, সাহিত্য, বিজ্ঞান, জীবনী এবং শিশু-কিশোরদের উপযোগী ম্যাগাজিন ও পত্রিকাসহ পর্যাপ্ত বইয়ের সমাহার রয়েছে।
সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি
আমাদের শিক্ষাক্রমে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক প্রতিভা সন্ধানী ক্লাস, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেমন- বিতর্ক, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও স্কাউট, গার্লস গাইড, হলদে পাখি এবং শিক্ষা সেমিনারের ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে।
প্রশিক্ষণ সপ্তাহ পালন
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি মানবীয় গুণাবলি জাগ্রত করার লক্ষে বছরের বিভিন্ন সময়ে নৈতিকতা, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা, শিষ্টাচার ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ সপ্তাহ পালন করা হয়।
শিক্ষা ভ্ৰমণ
গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষা ভ্রমণ কারিকুলামভুক্ত। তাই মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসারে শিক্ষা ভ্রমণের ব্যবস্থা।
যাতায়াত সুবিধা
শিক্ষার্থীর প্রয়োজনে মাইক্রোবাসের মাধ্যমে মানসম্মত যাতায়াত ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।
সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জেনারেটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আমাদের প্রতিষ্ঠানে আবাসিক-অনাবাসিক নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং এর যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য আছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিরাপত্তা প্রহরী ও মেটাল ডিটেক্টরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জামাদি। এছাড়াও অধিকতর নিরাপত্তার লক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা সিস্টেম চালু করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র
আমাদের রয়েছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে আছেন এম. বি.বি.এস. ডিগ্রিধারী এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন রোগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ ডাক্তার যিনি ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। আগ্রহী অভিভাবকবৃন্দ 'হেলথ কার্ড' সংগ্রহ করে চিকিৎসার সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়াও, প্রতিদিন সন্ধ্যায় অভিভাবক, এলাকাবাসী ও সর্বসাধারণের জন্য নামমাত্র এন্ট্রি ফি দিয়ে চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে।
সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
স্কুল চলাকালে আগ্রহী অভিভাবিকা ও এলাকাবাসীর জন্য দক্ষ মহিলা প্রশিক্ষক ধারা যুগোপযোগী সেলাই প্রশিক্ষণ, এমব্রয়ডারি, ব্লক, বাটিক ও স্ক্রিন প্রিন্ট শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া ষষ্ঠ হতে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের গার্হস্থ্য অর্থনীতির ব্যবহারিক ক্লাসে সেলাই প্রশিক্ষণ ও হাতের কাজ শেখানো হয়।
আট স্কুল
সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তিমূলক শিক্ষায় পারদর্শী করার লক্ষে এই প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা আলাদাভাবে কোর্সভিত্তিক চারু ও কারুকলা শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
সাংস্কৃতিক বিভাগ
এ প্রতিষ্ঠানে কন্ঠসংগীত, যন্ত্রসংগীত ও নৃত্য শাখায় টিভি ও বেতারের তালিকাভুক্ত স্বনামধন্য শিল্পী কর্তৃক বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সংগীত বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাংস্কৃতিক বিভাগ রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদেরকে সনদ প্রদান করা হয়।
মনিটরিং সেল
আমাদের আছে একটি মনিটরিং সেল যার প্রধান কাজ শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ এবং সুপারিশ প্রণয়ন করা। এ সেলের কাজের অংশ হিসেবে সেলের সদস্যরা ছাত্র-ছাত্রীদের বাসায় পর্যায়ক্রমে পরিদর্শনে যান।
পরামর্শ সেল
এই প্রতিষ্ঠানকে একটি সুন্দর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অভিভাবক মহলের পক্ষ থেকে সুচিন্তিত মতামত, পরামর্শ ও অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিষ্ঠানে রয়েছে একটি অভিযোগ ডেস্ক। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে মতামত জরিপ এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বয়ে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করা হয়।
উচ্চ শিক্ষার ভিত গঠনে মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ কলেজ
একজন শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষার প্রথম এল কলেজ শিক্ষা' অত্যন্ত মূল্যবান দুটি বছরের উপর নির্ভর করে। তবে এ দুটো বছর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে যদি সে হ অব্যবস্থাপনার শিকার। সরকারি কলেজগুলোর আসন স্বল্প সমাজিক অভিভাবক মহলে তীব্র হতাশা ও আতংকের সৃষ্টি করেছে। কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে কোচিং ও প্রাইভেট নির্ভর।
এ পরিস্থিতিতে অত্র প্রতিষ্ঠান ১৯৯৮ সাল থেকে সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ সনির্ভর শিক্ষ হিসেবে বৃহত্তর চট্টগ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই রাজনীতিমুক্ত শিক্ষা। প্রতিষ্ঠান হিসেবে কলেজ পড়ুয়াদের স্বাভাবিক লেখাপড়া নিশ্চিত করছে দক্ষ, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, উচ্চ শিক্ষিত ও বিষয় ভিত্তিক নিবেদিত প্রান তরুণ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের যুগোপযোগী শিক্ষা পদ্ধতি এবং নিয়মিত ক্লাস, অগ্রগতি যাচাই, অধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা, আন্তরিক অভিভাবকত্ব শিক্ষার্থীদের ভাল ফল এনে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার উন্নয়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয় 'মেরন সান কলেজ' ও 'মেরিট বাংলাদেশ কলেজ'। শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের চরিত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে যা তাদের অধ্যয়নমুখী করে তোলে এবং ভা ফলাফল অর্জন করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ সিলেবাস সম্পন্ন করা হয়, ফলে শিক্ষার্থীর পবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের পাশাপাশি যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নিজেদের উপযুক্তরূপে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।
মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এণ্ড কলেজ - ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক ব্যবস্থা
দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও অরুচিকর সংস্কৃতির বিস্তৃতি শিশু-কিশোরদের শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষুণ্ণ করছে। সুপরিকল্পিত ও উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তেমন পড়ে না উঠার কারণে গ্রামে/বিদেশে অবস্থানরত সচেতন অভিভাবকগণ যেমন সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন, তেমনি শহরে কর্মব্যস্ততা ও শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার কারণে অভিভাবকগণের পক্ষে এ ব্যাপারে যথার্থ ভূমিকা রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এসব সমস্যা সমাধানকল্পে অনাবাসিকের পাশাপাশি আমাদের রয়েছে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা।
ছাত্র হোস্টেল
নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত হোস্টেলে ছাত্ররা তাদের প্রতিটি মুহুর্ত নির্ধারিত রুটিন অনুসারে অতিবাহিত করে। হোস্টেলে মুসলিম ছাত্রদের বাধ্যতামূলক নামায ও কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি অমুসলিম ও উপজাতীয় ছাত্রদের জন্যেও রয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন। এছাড়া প্রবাসী অভিভাবকদের সন্তানের তত্ত্বাবধানের জন্য আমরা পালন করি বিশ্বস্ত ও আন্তরিক অভিভাবকের ভূমিকা। শিক্ষার্থীদের নৈতিক উন্নয়নের উপর খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। সার্বক্ষণিক ডাক্তার ও মানসম্পন্ন খাবারের ব্যবস্থাসহ যে কোন বিষয়ের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য আছেন হোস্টেল সুপার ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক অভিজ্ঞ হাউস টিউটর।
ছাত্রী হোস্টেল
বৃহত্তর চট্টগ্রামে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান উপযোগী তেমন কোন উন্নত মানের ছাত্রী হোস্টেল স্থাপিত না হওয়ায় বহুদিন ধরে অভিভাবকদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা ছিল, মেরন সানের পক্ষ থেকে ছাত্র হোস্টেলের পাশাপাশি একটি ছাত্রী হোস্টেল ও স্থাপিত হোক। তাদের প্রত্যাশা এবং অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এবং ছাত্রীদের ধর্মীয় ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধানপূর্বক নিরাপদ ও সাচ্ছন্দ লেখাপড়ার লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে আমরা ছাত্রী হোসোল চালু করতে সক্ষম হয়েছি। আর এই স্বপ্ন পূরণের সাথে আবাসিক ছাত্রদের মতো ওরাও পাচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক সকল সুযোগ-সুবিধা এবং শিক্ষা ও শৃঙ্খলার উপযোগী কাঙ্ক্ষিত মনোরম পরিবেশ। ছাত্র হোস্টেলের মতো ছাত্রী হোস্টেলও অভিভাবকদের আস্থা অর্জনে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে।
ডে কেয়ার
অভিভাবকদের প্রত্যাশার পরিপ্রেক্ষিতে, কর্মব্যস্ত অভিভাবকদের সুবিধার্থে এবং তাঁদের সন্তানদের গতিশীল ও সমৃদ্ধ লেখা-পড়ার জন্য অত্র প্রতিষ্ঠানে আছে সকাল ৮.০০ থেকে রাত ৯.০০ পর্যন্ত ডে কেয়ার-এর ব্যবস্থা, যেখানে সকাল হতে রাত পর্যন্ত তাদের মানসম্মত নাস্তা, টিফিন ও খাবারের সুব্যবস্থা রয়েছে।






